১৭-২৩ তম বিসিএস বাংলা

Questions: 109
Given Test: 7
Views: 142
Comments: 7

Note: ব্যাতিহার বহুব্রীহি: লাঠালাঠি - লাঠিতে লাঠিতে লড়াই।

Note: সরল বাক্য: যে বাক্যে একটি কর্তা বা উদ্দেশ্য ও একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে।

Note: "অক্ষির সমীপে" - এর সংক্ষেপণ হলো - সমক্ষ। অক্ষির অগোচর - পরোক্ষ, অক্ষির সম্মুখে - প্রত্যক্ষ।

Note: সিরাজাম মুনিরা - কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা ফররুখ আহমদ। ইসলামী রেনেসাঁর কবি ফররুখ আহমদের সিরাজাম মুনিরা কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয় ১৯৫২ সালে।

Note: অর্থগতভাবে বাংলা শব্দ তিন প্রকার: যৌগিক, রূঢ় বা রূঢ়ি, যোগরূঢ়।

Note: পদ্মাবতী মধ্যযুগের বাঙালি কবি আলাওলের একটি কাব্য। মালিক মোহাম্মদ জয়সীর হিন্দি "পাদুমাবৎ" থেকে আলাওল 'পদ্মাবতী' অনুবাদ করেন।

Note: পর্তুগীজ শব্দ মনে রাখার কৌশল: গীর্জার পাদ্রী চাবি দিয়ে গুদামের আলমারি খুলে তাতে আনারস পেঁপে পেয়ারা আলপিন ও আলকাতরা রাখলেন।

Note: প্রাকৃত ভাষা বলতে প্রাচীন ভারতীয় উপমহাদেশে লোকমুখে প্রচলিত স্বাভাবিক ভাষাগুলিকে বোঝায়।

Note: চিন্তাশীল ও যুক্তিবাদী প্রাবন্ধিক ডাঃ লুৎফর রহমান রচিত বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ 'মানবজীবন', 'মহৎজীবন', 'উন্নতজীবন'।

Note: 'ষড়ঋতু' শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ __ষট্ + ऋতু। স্বরধ্বনির সাথে স্বরধ্বনির যে সন্ধি হয় তাকে স্বরসন্ধি বলে।

Note: আরবি মনে রাখার কৌশলঃ আম, লা, খায়েস, গর, একদম।

Note: লালন (জন্ম: ১৭৭২ খ্রি. - মৃত্যু: ১৭ অক্টোবর, ১৮৯০ খ্রি.) ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী একজন বাঙালি; যিনি ফকির লালন, লালন সাঁই, লালন শাহ, মহাত্মা লালন ইত্যাদি নামেও পরিচিত।

Note: যেসব অব্যয় শব্দ বা ধাতুর পূর্বে বসে মূল শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটায় ও নতুন শব্দ গঠন করে তাকে উপসর্গ। অন্যদিকে যেসব বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি ধাতু বা শব্দের পরে বসে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে প্রত্যয় বলে।

Note: প্রমথ চৌধুরী (৭ আগস্ট ১৮৬৮ — ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬) বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রাবন্ধিক, কবি ও লেখক। তার সাহিত্যিক ছদ্মনাম ছিল বীরবল।

Note: ধ্বনিতত্ত্বে আলোচিত হয় - ধ্বনি, সন্ধি, ণত্ব-ষত্ব বিধান; রূপ বা শব্দতত্ত্বে আলোচিত হয় - লিঙ্গ, পুরুষ, সমাস, বচন, কারক ও বিভক্তি; বাক্যতত্ত্বে - পদ বিন্যাস, বাক্য ও বাক্য বিন্যাস।

Note: লিঙ্গান্তর হয় না এমন পুরুষবাচক শব্দ: কাজী, কুস্তিগীর, পুরোহিত, জামাতা, কবিরাজ, ঢাকী, কৃতদার, অকৃতদার, মৃতদার।

Note: বাংলা বর্ণমালায় বর্ণসংখ্যা (স্বরবর্ণ ১১ টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি) - ৫০টি। তন্মধ্যে মাত্রাহীন বর্ণ ১০ টি (স্বরবর্ণ ৪ টি - এ, ঐ, ও, ঔ এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৬ টি - ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঁ)।

Note: যে বিশেষ্য দ্বারা কোনো ক্রিয়ার ভাব বা কাজের ভাব প্রকাশিত হয় তাকে ভাববাচক বিশেষ্য বলে। ধাতুর পর 'আই' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভাববাচক বিশেষ্য গঠিত হয়। যেমন (চর + আই) = চড়াই

Note: পরস্পর নিরপেক্ষ দুই বা ততোধিক সরল বা মিশ্র বак্য মিলিত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করলে তাকে যৌগিক বাক্য বলে। প্রশ্নে প্রদত্ত বাক্যটি যৌগিক। কারণ, এখানে দুটি নিরপেক্ষ বাক্য রয়েছে।

Note: যে সব অব্যয় পদ নানা ভাব বা অনুভূতি প্রকাশ করে, তাদের কে অনন্বয়ী অব্যয় বলে। এগুলো বাক্যের অন্য কোন পদের সাথে সম্পর্ক না রেখে স্বাধীন ভাবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। যেমন, ছি ছি তুমি এত খারাপ (ঘৃণা বা বিরক্তি)

Note: সাধুরীতির বৈশিষ্ট্য হলো: ১. এ ভাষারীতি সুনির্ধারিত ব্যাকরণ নিয়ম অনুসারে চলে এবং এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট। ২. এ ভাষারীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল। ৩. এ রীতি নাটক, সংলাপ ও বক্তৃতায় অনুপযোগী।

Note: হঠাৎ কারো ভাগ্য সুপ্রসন্ন হলে তাকে 'একাদশে বৃহস্পতি' বলে।

Note: যে পদ দ্বারা নাম বুঝায় থাকে নামপদ বলে। যে পদের পরবর্তী ক্রিয়ামূলের সঙ্গে কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে উপপদ বলে। বিভক্তিহীন নাম শব্দকে বলা হয় প্রাতিপদিক।

Note: গাছে তুলে মই কাড়া - সাহায্যের আশা দিয়ে সাহায্য না করা, এক ক্ষুরে মাথা মুড়ানো - একই স্বভাবের, ধরি মাছ না ছুঁই পানি - কৌশলে কার্যোদ্ধার, আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া - দুর্লভ বস্তু হাতে পাওয়া।

Note: বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক শব্দ। শব্দ হলো অর্থবোধক ধ্বনিসমষ্টি, যা বাক্য গঠনের মূল উপাদান।

Note: যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি ধাতু বা শব্দ (প্রাতিপদিক) এর পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে প্রত্যয় বলে। যেমন দুল + অনা = দোলনা। এখানে মূল ক্রিয়াপদ 'দুল' এবং প্রত্যয় হল 'অনা'।

Note: পারস্য তথা ইরানের বিখ্যাত মহাকাব্য 'শাহনামা'। মহাকবি ফেরদৌসী ৯৮০-১০১০ খ্রিস্টাব্দে দীর্ঘ ৩০ বছর কঠোর পরিশ্রম করে 'শাহনামা' রচনা করেন।

Note: সন্ধির উদ্দেশ্য: সন্ধি মূলত দুটো উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে করা হয়। ১. সন্ধির ফলে উচ্চারণ আরো সহজ হবে (স্বাভাবিক উচ্চারণে সহজপ্রবণতা), ২. সন্ধি করার পর শুনতে আরো ভালো লাগবে (ধ্বনিগত মাধুর্য সম্পাদন)।

Note: 'আবদুল্লাহ' উপন্যাসটি লেখকের জীবদ্দশায় সম্পূর্ণ বা প্রকাশ হয়নি। তিনি এ উপন্যাসটি জীবনের শেষান্তে শুরু করলেও শেষ করে যেতে পারেননি। পরবর্তীতে তার খসড়ার ভিত্তিতে উপন্যাসটি সম্পূর্ণ করা হয়।

Note: উন্নত প্রাণীবাচক শব্দের বহুবচনে গণ, বৃন্দ, মণ্ডলী, বর্গ এবং অপ্রাণীবাচক শব্দের বহুবচনে আবলি, গুচ্ছ, দাম, নিকর, পুঞ্জ, মালা, রাজি, রাশি ব্যবহূত হয়।

Note: দোলনচাঁপা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত নয়।

Note: তুই বাড়ি যা (আদেশ), ক্ষমা করা ঘোর অপরাধ (প্রার্থনা), কাল একবার এসো (অনুরোধ), দূর হও (ভর্ৎসনা)।

Note: 'ননদ' শব্দটির দুটি পুরুষবাচক শব্দ রয়েছে। যথা - দেবর ও ননদাই।

Note: ব্যাকরণে বিশেষ্য ও সর্বনামের সংখ্যার ধারণা প্রকাশের উপায়কে বচন বলে।

Note: 'বাঙ্গালীর ইতিহাস' বইটি বাঙালিদের নৃতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে একটি গবেষণাধর্মী গ্রন্থ।

Note: '৫২ ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ১৯৫৩ সালে 'একুশে ফেব্রুয়ারি' সাহিত্য সংকলনটি প্রকাশিত হয়। হাসান হাফিজুর রহমান ছিলেন এর সম্পাদক।

Note: নিরালোক দিব্যরথ (কাব্যগ্রন্থ) : শামসুর রাহমান, নির্জন স্বাক্ষর (উপন্যাস) : বুদ্ধদেব বসু; নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি (উপন্যাস) : সেলিনা হোসেন।

Note: 'নদী ও নারী' (১৯৪৫) হুমায়ুন কবির রচিত একটি উপন্যাস।

Note: সিংহাসন :সিংহ চিহ্নিত আসন (মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস) : ভাইবোন : ভাই ও বোন (দ্বন্দ্ব সমাস) : কানাকানি : কানে কানে যে কথা (ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস); গাছপাকা: গাছে পাকা (সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস)।

Note: রাঙাজবা: কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গীতবিষয়ক গ্রন্থ। মরুশিখা: যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তের কাব্যগ্রন্থ। মরুসূর্য: আ. ন. ম. বজলুর রশীদ রচিত কাব্যগ্রন্থ।

Note: ১৯৭৮ সালে প্রকাশিত ভারতীয় সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল সুখওয়ান্ত সিং ইংরেজি ভাষায় "The Liberation of Bangladesh" গ্রন্থটি রচনা করেন।

Note: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নয়টি ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন। যথা: 1)ভানুসিংহ ঠাকুর; 2)অকপটচন্দ্র ভাস্কর; 3)আন্নাকালী পাকড়াশী; 4)দিকশূন্য ভট্টাচার্য; 5)নবীন কিশোর শর্মণ; 6)ষষ্ঠীচরণ দেবশর্মা; 7)বানীবিনোদ বিদ্যাবিনোদ; 8)শ্রীমতী কনিষ্ঠা; 9)শ্রীমতী মধ্যমা।

Note: 'বিদ্রোহী' কবিতাটি কবি নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। অগ্নিবীণা বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ।

Note: শুশ্রূষা - বি. 1 (প্রধানত রোগীর) পরিচর্যা বা সেবা; 2 (বাং. বিরল) শোনার ইচ্ছা। [সং. √ শ্রূ + সন্ + অ + আ]।

Note: যেসব শব্দ অব্যক্ত রব, শব্দ বা ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয় তাকে অনুকার বা ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে। যেমন: কুহু কুহু (কোকিলের রব), টাপুর টুপুর (বৃষ্টির পতনের শব্দ), হু হু (বাতাস প্রবাহের শব্দ)।

Note: যা সহজে অতিক্রম করা যায় না - অনতিক্রম্য। যেখানে যাওয়া কষ্টকর - দুর্গম। যা কষ্টে লংঘন করা যায় - দুর্লঙ্ঘ্য।

Note: কিছু করার আদেশ, উপদেশ, নিষেধ, অনুরোধ, আশীর্বাদ, প্রার্থনা-কামনা, অনুমতি ইত্যাদি বোঝাতে ক্রিয়ার যে বিশেষ রীতি ব্যবহৃত হয় তাকে অনুজ্ঞা (ভাব) বলা হয়। যেমন - বর্তমান কালে : কলমটি দাও। ভবিষ্যৎ কালে: কাল দেখা হবে ইত্যাদি। সুতরাং 'তুমি যাও' একটি অনুজ্ঞা।

Note: ১৯৯৯ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান জার্মান সাহিত্যিক গুন্টার গ্রাস। তার বিখ্যাত উপন্যাস 'দি টিন ড্রাম' - এর জন্য তিনি এ পুরস্কার লাভ করেন।

Note: লেখক, সমাজ সংস্কারক ও শিক্ষাবিদ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের (১৮২০ - ১৯৯১ খ্রি) একটি মৌলিক গ্রন্থ 'প্রভাবতী সম্ভাষণ'।

Note: এই অমর উক্তিটি করেছেন মধ্যযুগের প্রখ্যাত কবি বাংলা ভাষায় বৈষ্ণব পদাবলীর আদি রচয়িতা চণ্ডীদাস।

Note: শুচিস্মিতা = যে নারীর হাসি পবিত্র।

Note: 'ব্রজবুলি' হলো মৈথিলী ও বাংলা ভাষার মিশ্রণে গঠিত এক প্রকার কৃত্রিম কবিভাষা। এই ভাষায় বৈষ্ণব পদ রচনা করেছেন অনেক কবি, যাদের মধ্যে গোবিন্দদাস, বিদ্যাপতি, চণ্ডীদাস ও জ্ঞানদাস অন্যতম।

Note: 'আবোল - তাবোল' সুকুমার রায় রচিত শিশুতোষ সাহিত্য। এছাড়া তার অমর সৃষ্টি হলো ; হ - য - ব - র - ল, পাগলা দাশু, বহুরূপী ও খাই খাই।

Note: বাংলা সাহিত্যে প্রথম সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা লেখেন কবি ও নাট্যকার মধুসূদন দত্ত (১৮২৪ - ১৮৭৩ খ্রি)। তার রচিত সনেটসমূহ 'চতুর্দশপদী কবিতাবলী' (১৮৬৬) তে সংকলিত।

Note: লালসালু সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি উপন্যাস। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালে। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি ধ্রুপদী সৃষ্টি।

Note: চাঁদেরহাট একটি বাগধারা যার মানে 'ধনে জনে পরিপূর্ণ সুখের সংসার' বা 'সুরেশ, সুন্দর ও প্রিয় মানুষ। তাই উত্তর হবে প্রিয় মানুষ।

Note: শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সমালোচক ও বাগ্মী মুনীর চৌধুরী (১৯২৫ - ১৯৭১ খ্রি.) 'কবর' (১৯৬৬) নাটকটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচনা করেন।

Note: 'বিরাগী' একটি পুরুষবাচক শব্দ, যার অর্থ বিরাগযুক্ত, উদাসীন, নিস্পৃহ বা বিরক্ত। 'বিরাগী' শব্দটির স্ত্রীবাচক রূপ হলো 'বিরাগিনী'।

Note: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা চতুরঙ্গ। চতুরঙ্গ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি সামাজিক-মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। এটি সাধুভাষায় লিখিত রবীন্দ্রনাথের সর্বশেষ উপন্যাস।

Note: নাগরিক কবি সমর সেন (১৯১৬ - ১৯৮৭ খ্রি) রচিত 'কয়েকটি কবিতা' (১৯৩৭)। একটি কাব্যগ্রন্থ।

Note: বিশিষ্ট ভাষাবিদ, গবেষক ও শিক্ষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (১৮৮৫ - ১৯৬৯ খ্রি.) 'বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত' (১৯৬৫), 'ভাষা ও সাহিত্য (১৯৩১) এবং 'বাংলা ব্যাকরণ' (১৯৬৫) ভাষাতত্ত্ব বিষয়ক গ্রন্থ রচনা করেন।

Note: চল্লিশের দশকে আবির্ভূত শক্তিমান কবিদের অন্যতম ফররুখ আহমদের (১৯১৮ - ১৯৭৪ খ্রি.) প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'সাত সাগরের মাঝি' প্রকাশিত হয় ১৯৪৪ খ্রি।

Note: চল্লিশের দশকে আবির্ভূত শক্তিমান কবিদের অন্যতম ফররুখ আহমদের (১৯১৮ - ১৯৭৪ খ্রি.) প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'সাত সাগরের মাঝি' প্রকাশিত হয় ১৯৪৪ খ্রি।

Note: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত উল্লেখযোগ্য নাটকগুলো হলো 'চিত্রাঙ্গদা', 'প্রায়শ্চিত্ত', 'রাজা', 'অচলায়তন', 'ডাকঘর', 'রক্তকরবী', 'তাসের দেশ', 'চণ্ডালিকা' ইত্যাদি।

Note: রাধা-কৃষ্ণের জীবন অবলম্বন করে যে ধারাটি বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে সেটা হলো পদাবলী বা পদাবলী কাব্য। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই পদাবলী যা তিনি ব্রজবুলি ভাষায় রচনা করেন।

Note: 'অপলাপ' শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত, যার শাব্দিক অর্থ সত্য অস্বীকার, গোপন বা মিথ্যা উক্তি।

Note: ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষিতে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। এটির মূল নাম ছিল বর্ধমান হাউস।

Note: অপারাজেয় কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস 'পথের দাবি' (১৯২৬)। ব্রিটিশ শাসনের সমালোচনা করায় তৎকালীন সরকার এ উপন্যাসটি বাজেয়াপ্ত হয়েছিল।

Note: বাংলা ভাষায় বৈষ্ণব পদাবলীর আদি রচয়িতা কবি চণ্ডীদাস কিন্তু পদাবলির প্রথম কবি বিদ্যাপতি।

Note: এরূপ ক্ষেত্রে বাক্যের ভাব বুঝেই 'কী' এর অর্থ নিরূপণ করতে হবে। সে হিসাবে এর অর্থ 'ভয়' 'রাগ' বা 'বিপদ' নয়, অবশ্যই 'বিরক্ত'।

Note: পথের দাবী (উপন্যাস) এটি সঠিক। পথের দাবী বিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগের অন্যতম বাঙ্গালী কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক বিরচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস।

Note: হযরত মুহাম্মদ (স) এর জীবনী নিয়ে লিখিত 'মরু ভাস্কর' গ্রন্থটি সাহিত্যিক ও সাংবাদিক মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী রচনা করেন।

Note: বিশিষ্ট লেখক, সমাজ সংস্কারক ও শিক্ষবিদ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০ - ১৮৯১ খ্রি.) রচিত বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম 'সংস্কৃত ব্যাকরণের উপক্রমণিকা' ও 'ব্যাকরণ কৌমুদী'।

Note: 'ঢাকের কাঠি' বাগধারার অর্থ: মোসাহেব, তোষামুদে।

Note: কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (১৮৬१ - ১৯৪১ খ্রি.) অন্যতম কাব্য সংকলন হলো 'সঞ্চয়িতা'।

Note: বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষক দীনেশচন্দ্র সেন (১৮৬৬ - ১৯৩৯ খ্রি.) কর্তৃক রচিত 'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য' গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম যথার্থ ইতিহাস গ্রন্থ।

Note: শিক্ষাবিদ, ধ্বনিতাত্ত্বিক ও সাহিত্যিক মুহম্মদ আব্দুল হাই (১৯১৯ - ১৯৬৯ খ্রি.) এবং শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক সৈয়দ আলী আহসান (১৯২২ - ২০০২ খ্রি.) যুগ্মভাবে 'বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত' (আধুনিক) গবেষণা গ্রন্থটি রচনা করেন।

Note: 'দোভাষী পুঁথি' শুধু দুটি ভাষায় রচিত পুঁথি নয়। বাংলা, হিন্দি, ফারসি, আরবি, তুর্কি ইত্যাদি ভাষার সংমিশ্রণে রচিত পুঁথিই হলো 'দোভাষী পুঁথি'।

Note: বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আহমদ শরীফ (১৯২১ - ১৯৯৯) 'বাংলা একাডেমি সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান' সম্পাদনা করেন, যা ১৯৯২ সালের সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হয়।

Note: সওগাত পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন। ১৯১৮ সালের নভেম্বর/ডিসেম্বরে মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীনের সম্পাদনায় কলকাতা থেকে সওগাত প্রথম প্রকাশিত হয়।

Note: পদ বা পদাবলী বলতে সাধারণত শ্রীকৃষ্ণ ও শ্রীচৈতন্যের লীলাকথা নিয়ে গান করার জন্য রচিত কমনীয় কবিতাকে বুঝায়।

Note: কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত লেখা (গল্প) 'বাউণ্ডেলের আত্মকাহিনী' মাসিক 'সওগাত' পত্রিকায় ১৩২৬ বঙ্গাব্দের (১৯১৯ খ্রি.) জ্যৈষ্ঠ সংখ্যায় প্রথম প্রকাশিত হয়।

Note: আনন্দময়ীর আগমনে কবিতা রচনার কারণে কাজী নজরুল ইসলামের কারাদন্ড হয়েছিল। কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর প্রথম গ্রন্থ অগ্নিবীণা প্রকাশের ঠিক চার সপ্তাহ পর ঔপনিবেশিক পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার হন।

Comment